• মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন

মামলাবাজ ডেপুটি রেঞ্জার রতন লাল মাহুতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ

অনুসন্ধানী রিপোর্ট-
Update : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

মামলাবাজ ডেপুটি রেঞ্জার রতন লাল মাহুতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ

অনুসন্ধানী রিপোর্ট – বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার রতন লাল মাহুতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের একাধিক অভিযোগ ওঠার তথ্য পাওয়া গেছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা যায়, এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি অতীতে বিভাগীয় ব্যবস্থার মুখোমুখি হয়েছেন। বর্তমানে কক্সবাজার দক্ষিন বন বিভাগে কর্মরত থাকলেও সারামাস পরে থাকেন ঢাকা বিভিন্ন আদালত চত্বরে।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগে কর্মরত অবস্থায় রতন লাল মাহুতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে বিভাগীয় কার্যালয়ে ক্লোজ করা হয় এবং তার কর্মকাণ্ড নিয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

এর আগেও রংপুর বন বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। সে সময় বিভাগীয় মামলার মাধ্যমে তাকে সাময়িক বহিষ্কারসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে আবারও তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, পদোন্নতি–সংক্রান্ত অনিয়ম, মামলা বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক যোগসাজশের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ডেপুটি রেঞ্জার রতন লাল মাহুত। এ বিষয়ে তার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই অভিযোগগুলোর সঙ্গে আমি কোনোভাবেই জড়িত নই। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কাহিনি। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে জড়িয়ে এসব প্রচার করা হচ্ছে। আমি পদোন্নতি পাবোনা আমি জানি এই বলে রেখে দেন।

এদিকে সচেতন মহল মনে করছে, রতন লাল ফরেস্ট রেঞ্জার হতে পারবেনা তার বিভাগীয় শাস্তির জন‍্যে। মামলা দিয়ে পদোন্নতি আটকানো অনৈতিক কাজের শামিল। বন বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অভিযোগ ওঠা উদ্বেগজনক। তারা দাবি করছেন, উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে বন বিভাগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা