ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নরসিংদী বি আর এস জরিপের তথ‍্যে শতশত ভুল জরিপের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক, নরসিংদী
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ৪১ বার শেয়ার হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"effects":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

বঙ্গবাণী নিউজ ২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিআরএস জরিপ কাজের নিজ স্বত্বের ভৌগলিক সীমানার সমাধানের প্রক্রিয়াটা ছিল খুবই নিন্দনীয়। যারা অর্থের কদর করেছেন তাদেরটাই সুন্দর করে সমাধান করেছেন। একজন এলাকার মোড়ল শ্রেনীর বাড়িতে বসে যার সম্পত্তি তার সাথে কথা না বলে অন‍্য জনের সাথে কথা বলে জরিপ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে অর্থের বিনিময়ে। তৎকালীন সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন‍্যে অনেক অভিভাবক তাদের সাথে কথা বলতে পারেননি বিধায় যা ইচ্ছে তাই করেছেন এমন অভিযোগ শতশত ভূমি মালিকদের। 

 

নরসিংদী প্রতিনিধি – বি আর এস (BRS – Bangladesh Revisional Survey) বা বাংলাদেশ জরিপের মূল নীতিমালা ছিল আর.এস (RS) জরিপের সঠিকতা দেখা এবং ভূল ত্রুটি সংশোধন করে সরেজমিনে ভূমি মালিক ও দখল যাচাইয়ের মাধ্যমে হালনাগাদ খতিয়ান ও নকশা প্রস্তুত করা। ১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন অনুযায়ী, ডিজিটাল প্রযুক্তি (GPS, GIS) ব্যবহার করে ১৯৯৮-৯৯ সাল থেকে এটি পরিচালিত হচ্ছে। পরিচালিত হয়ে থাকলেও সফলতা কিংবা আলোর মুখ দেখেছে অনৈতিক কার্যকলাপ টাকার বিনিময়ে এক জনের জমি অন‍্য জনের নামে হয়রানিভূক্ত করে বসিয়ে দেয়া।

 

জানা যায় ১৯৫০ সালের প্রজাস্বত্ব আইন এবং ১৮৭৫ সালের সার্ভে অ্যাক্ট অনুযায়ী কাজ পরিচালনা হয়েছিল। এই জরিপে জমির মালিকদের উপস্থিতিতে সীমানা নির্ধারণ করার কথা থাকলে যা মাঠে কাগজে কলমে হয়নি। যেসব এলাকায় বিআরএস নামে কাজ হয়েছে বর্তমানে সেখানে সর্বশেষ ভূমি রেকর্ড হিসেবে গণ্য করা হয়। বিয়োগ হয়েছে যারা জরিপের পরে যায়নি বা ভেবেছিল আর এস ঠিক আছে দখল ঠিক আছে দলিল ঠিক আছে বিআর এস ও ঠিক থাকবে, কিন্তু তা হয়নি হয়েছে জরিপের লোকজনের ইচ্ছে মতোন সবকিছু। যারা জমির ওয়ারিশ নিয়ে গেছে বর্তমানে ওয়ারিশ নেই কিংবা জমির মালিকানার সাথে সম্পৃক্ত না এইরকম লোকদের নাম ডুকিয়ে দিয়ে গেছে। এই নিয়ে নিজের পৈতৃক সম্পত্তি, ক্রয় করা সম্পত্তি নিয়ে মামলা মোকদ্দমা হয়রানি হচ্ছে প্রকৃত মালিকগ।

 

কালে এবং পরবর্তীকালে বিভিন্ন জায়গা সমস্যা দেখা দিলেও স্বয়ং সম্পুর্ন কাজ সম্পন্ন হয়নি। বিআরএস জরিপ কাজের সমাধানের জন‍্যে প্রক্রিয়াটা ছিল খুবই নিন্দনীয়। একজনের বাড়িতে বসে যার সম্পত্তি তার সাথে কথা না বলে অন‍্য জনের সাথে কথা বলে জরিপ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে টাকার বিনিময়ে এমন অভিযোগ শতো শতো ভূমি মালিকদের। যারা টাকা দিয়েছে তাদের সবকিছুই স্ষ্ট করেছে যারা টাকা নিয়ে যোগাযোগ করেনি তাদের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এতে বর্তমানে হয়রানী হতে হচ্ছে ভূমি মালিকদের।

 

উদাহরণস্বরূপ নরসিংদী জেলার মৌজা ঘোড়াশাল, পাইকসা অন‍্যান‍্য মৌজাসহ আর এস এবং এস এ, খতিয়ান না খতিয়েই কাগজপত্রের সামঞ্জস্যকে-অসামঞ্জস্য এবং বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে যা ইচ্ছে তাই করে গেছে। যেমনটি রহিম মিয়ার জায়গাই করিম মিয়ার নাম বসিয়ে দিয়ে গেছে। অনেকে অসুস্থ ছিল, অনেকে বিদেশ ছিল,অনেকে কর্মস্থলে ছিল, দেশ গ্রামে ছিলনা, কিংবা তেমন গুরুত্ব বুঝেনি এবং বুঝতে পারেনি, অনেকে কাগজপত্র আছে ভেবেছে আমার জায়গা আবার কে নিবে ; আবার হয়তোবা হয়রানিমূলক আচরনে বুঝাতে অক্ষম হয়েছে একবার গিয়ে আর যায়নি। রাজনৈতিকভাবে সমস্যার কারণেও অনেকের অভিভাবক বাড়িতে বসবাস করতে পারেনি। তাই নির্দিষ্ট সময় যেতে পারেনি। দাবী উঠেছে জরিপ দলের ব‍্যাবহার ছিল খুবই জগণ্য।

 

বিভিন্ন জটিলতায় এই জরিপ প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে। নরসিংদীতে বিআরএস জরিপে যেখানে গেজেটে নাম ভূল এসেছে তা পূনরায় কাগজপত্র যাচাই-বাচাই করে সহজ সরল পদ্ধতি অবলম্বন করে সঠিকতা দেখার পূনঃবিবেচনা জানান ভূক্তভোগী জমির শতশত মালিকগণ।

 

এই নিয়ে জজ কোর্ট নরসিংদীর সিনিয়র একজন আইনজীবীর সাথে কথা বলে জানতে চাই, দলিল ঠিক আছে, আর এস ঠিক আছে, ঔই দলিলের দাগের ওয়ারিশ যারা তারা জায়গার হিসেব বুঝে নিয়েছে। আর এস নামজারী দলিলের পক্ষের ব‍্যক্তির নামে হয়েছে। জায়গা কোন হাত বদল হয়নি। সেক্ষেত্রে বিআর এস জরিপ দল ভূল তথ‍্য রেখে গেছে এই ভূক্তভোগীর জন‍্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কি ব‍্যাবস্থা নেয়া যায়? তিনি জানান প্রথমত রেকর্ড সংশোধনের মামলা জরিপ ট্রাইব্যুনালে দ্রুত করতে হবে। দ্বিতীয়ত ঔই সময় জরিপ দলের সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যে তথ্যের প্রতারনার মামলা দেয়া যেতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নরসিংদী বি আর এস জরিপের তথ‍্যে শতশত ভুল জরিপের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

আপডেট সময় : ০৮:২৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

বিআরএস জরিপ কাজের নিজ স্বত্বের ভৌগলিক সীমানার সমাধানের প্রক্রিয়াটা ছিল খুবই নিন্দনীয়। যারা অর্থের কদর করেছেন তাদেরটাই সুন্দর করে সমাধান করেছেন। একজন এলাকার মোড়ল শ্রেনীর বাড়িতে বসে যার সম্পত্তি তার সাথে কথা না বলে অন‍্য জনের সাথে কথা বলে জরিপ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে অর্থের বিনিময়ে। তৎকালীন সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন‍্যে অনেক অভিভাবক তাদের সাথে কথা বলতে পারেননি বিধায় যা ইচ্ছে তাই করেছেন এমন অভিযোগ শতশত ভূমি মালিকদের। 

 

নরসিংদী প্রতিনিধি – বি আর এস (BRS – Bangladesh Revisional Survey) বা বাংলাদেশ জরিপের মূল নীতিমালা ছিল আর.এস (RS) জরিপের সঠিকতা দেখা এবং ভূল ত্রুটি সংশোধন করে সরেজমিনে ভূমি মালিক ও দখল যাচাইয়ের মাধ্যমে হালনাগাদ খতিয়ান ও নকশা প্রস্তুত করা। ১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন অনুযায়ী, ডিজিটাল প্রযুক্তি (GPS, GIS) ব্যবহার করে ১৯৯৮-৯৯ সাল থেকে এটি পরিচালিত হচ্ছে। পরিচালিত হয়ে থাকলেও সফলতা কিংবা আলোর মুখ দেখেছে অনৈতিক কার্যকলাপ টাকার বিনিময়ে এক জনের জমি অন‍্য জনের নামে হয়রানিভূক্ত করে বসিয়ে দেয়া।

 

জানা যায় ১৯৫০ সালের প্রজাস্বত্ব আইন এবং ১৮৭৫ সালের সার্ভে অ্যাক্ট অনুযায়ী কাজ পরিচালনা হয়েছিল। এই জরিপে জমির মালিকদের উপস্থিতিতে সীমানা নির্ধারণ করার কথা থাকলে যা মাঠে কাগজে কলমে হয়নি। যেসব এলাকায় বিআরএস নামে কাজ হয়েছে বর্তমানে সেখানে সর্বশেষ ভূমি রেকর্ড হিসেবে গণ্য করা হয়। বিয়োগ হয়েছে যারা জরিপের পরে যায়নি বা ভেবেছিল আর এস ঠিক আছে দখল ঠিক আছে দলিল ঠিক আছে বিআর এস ও ঠিক থাকবে, কিন্তু তা হয়নি হয়েছে জরিপের লোকজনের ইচ্ছে মতোন সবকিছু। যারা জমির ওয়ারিশ নিয়ে গেছে বর্তমানে ওয়ারিশ নেই কিংবা জমির মালিকানার সাথে সম্পৃক্ত না এইরকম লোকদের নাম ডুকিয়ে দিয়ে গেছে। এই নিয়ে নিজের পৈতৃক সম্পত্তি, ক্রয় করা সম্পত্তি নিয়ে মামলা মোকদ্দমা হয়রানি হচ্ছে প্রকৃত মালিকগ।

 

কালে এবং পরবর্তীকালে বিভিন্ন জায়গা সমস্যা দেখা দিলেও স্বয়ং সম্পুর্ন কাজ সম্পন্ন হয়নি। বিআরএস জরিপ কাজের সমাধানের জন‍্যে প্রক্রিয়াটা ছিল খুবই নিন্দনীয়। একজনের বাড়িতে বসে যার সম্পত্তি তার সাথে কথা না বলে অন‍্য জনের সাথে কথা বলে জরিপ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে টাকার বিনিময়ে এমন অভিযোগ শতো শতো ভূমি মালিকদের। যারা টাকা দিয়েছে তাদের সবকিছুই স্ষ্ট করেছে যারা টাকা নিয়ে যোগাযোগ করেনি তাদের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এতে বর্তমানে হয়রানী হতে হচ্ছে ভূমি মালিকদের।

 

উদাহরণস্বরূপ নরসিংদী জেলার মৌজা ঘোড়াশাল, পাইকসা অন‍্যান‍্য মৌজাসহ আর এস এবং এস এ, খতিয়ান না খতিয়েই কাগজপত্রের সামঞ্জস্যকে-অসামঞ্জস্য এবং বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে যা ইচ্ছে তাই করে গেছে। যেমনটি রহিম মিয়ার জায়গাই করিম মিয়ার নাম বসিয়ে দিয়ে গেছে। অনেকে অসুস্থ ছিল, অনেকে বিদেশ ছিল,অনেকে কর্মস্থলে ছিল, দেশ গ্রামে ছিলনা, কিংবা তেমন গুরুত্ব বুঝেনি এবং বুঝতে পারেনি, অনেকে কাগজপত্র আছে ভেবেছে আমার জায়গা আবার কে নিবে ; আবার হয়তোবা হয়রানিমূলক আচরনে বুঝাতে অক্ষম হয়েছে একবার গিয়ে আর যায়নি। রাজনৈতিকভাবে সমস্যার কারণেও অনেকের অভিভাবক বাড়িতে বসবাস করতে পারেনি। তাই নির্দিষ্ট সময় যেতে পারেনি। দাবী উঠেছে জরিপ দলের ব‍্যাবহার ছিল খুবই জগণ্য।

 

বিভিন্ন জটিলতায় এই জরিপ প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে। নরসিংদীতে বিআরএস জরিপে যেখানে গেজেটে নাম ভূল এসেছে তা পূনরায় কাগজপত্র যাচাই-বাচাই করে সহজ সরল পদ্ধতি অবলম্বন করে সঠিকতা দেখার পূনঃবিবেচনা জানান ভূক্তভোগী জমির শতশত মালিকগণ।

 

এই নিয়ে জজ কোর্ট নরসিংদীর সিনিয়র একজন আইনজীবীর সাথে কথা বলে জানতে চাই, দলিল ঠিক আছে, আর এস ঠিক আছে, ঔই দলিলের দাগের ওয়ারিশ যারা তারা জায়গার হিসেব বুঝে নিয়েছে। আর এস নামজারী দলিলের পক্ষের ব‍্যক্তির নামে হয়েছে। জায়গা কোন হাত বদল হয়নি। সেক্ষেত্রে বিআর এস জরিপ দল ভূল তথ‍্য রেখে গেছে এই ভূক্তভোগীর জন‍্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কি ব‍্যাবস্থা নেয়া যায়? তিনি জানান প্রথমত রেকর্ড সংশোধনের মামলা জরিপ ট্রাইব্যুনালে দ্রুত করতে হবে। দ্বিতীয়ত ঔই সময় জরিপ দলের সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যে তথ্যের প্রতারনার মামলা দেয়া যেতে পারে।