জামায়াত সমর্থকদের বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৬:৫৫:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৩৪ বার শেয়ার হয়েছে
জামায়াত সমর্থকদের বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ
পাবনা সদর উপজেলায় দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনি কাজে অংশগ্রহণ করায় জামায়াত সমর্থকদের বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামীপন্থি ইউপি চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খানের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার ভাঁড়ারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী জাহিদ হাসান মুসা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলের দিকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খান ও তার সহযোগী আলমের নেতৃত্বে একদল বাহিনী ভাড়ারা গ্রামের জাহিদ হাসান মুসার বাড়িতে গিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। বাড়িতে থাকা আট লাখ টাকা মূল্যের টিভি, ফ্রিজ, আলমারি, মোটরসাইকেলসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এ সময় মাছ বিক্রির আনুমানিক ৮ লক্ষাধিক টাকা ও ৫৫ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার লুটপাট করে নেয়া হয়। এবং গোয়ালে থাকা গরু লুটপাট করে নিয়ে যাবার চেষ্টা করা হয়।
এছাড়াও পার্শ্ববর্তী ইয়াসিন আলীর বাড়িতেও এ বাহিনী হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এসব বাড়ির লোকজন সন্ত্রাসীদের ভয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বলে জানা গেছে। দেশীয় অস্ত্র, চাইনিজ কুড়াল, হকিস্টিক নিয়ে হামলা করা হয় বলে অভিযোগ ইয়াসিন আলীর।
ভুক্তভোগী জাহিদ হাসান মুসা বলেন, দাঁড়িপাল্লার নির্বাচন করায় আমাদের বাড়িতে আওয়ামী লীগের ইউপি চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খানের নেতৃত্বে ব্যাপক হামলা চালিয়ে লুটপাট ও ভাঙচুর করা হয়েছে। তাকে আমরা ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান বানিয়েছিলাম। কিন্তু এলাকায় সে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। এলাকায় অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে আমাদের লোকজনের বাড়িতে হামলা চালানো হচ্ছে। তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ভাড়ারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খান বলেন, আমি ধানের শীষের রাজনীতিও করিনা, ধানের শীষের নির্বাচনও করি নাই। আমাকে ষড়যন্ত্র করে এসব ঘটনায় ফাঁসানো হচ্ছে। এলাকায় এসে আপনারা তদন্ত করে দেখেন।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল হোসেন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত করে এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।























