ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইবি শিক্ষিকা রুনা হত্যার প্রধান আসামি ফজলুর গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ১২:০২:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬ ৩০ বার শেয়ার হয়েছে
বঙ্গবাণী নিউজ ২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফজলুর রহমানকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

 

শুক্রবার (৬ মার্চ) ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

ওসি মাসুদ রানা বলেন, ‘মামলার ১ নাম্বার আসামি ফজলুর রহমান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকেই পুলিশ হেফাজতে আছে। তার বিরূদ্ধে মামলা দায়েরের পরপরই আদালতকে অবহিত করা হয়েছে। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে আহত থাকায় তাকে সদর হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’

 

অন্য আসামিদের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তাদের ব্যাপারেও কাজ চলমান। তবে এই ঘটনায় দুই শিক্ষক অভিযুক্ত থাকায় আরও খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

 

জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইবি থানায় ফজলুর রহমানকে প্রধান আসামি করে চারজনের নামে মামলা দায়ের করেন সাদিয়া রুনার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান। মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- বিভাগটির সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার ও উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিত কুমার বিশ্বাস, বিভাগটির সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমান।

 

এদিকে গত বুধবার কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টায় তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে পুলিশ তার থেকে দুই পাতায় লিখিত স্টেটমেন্ট নেয়। লিখিত স্টেটমেন্টে ফজলুর রহমান হত্যাকাণ্ড ঘটানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

 

উল্লেখ্য, গত বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে আসমা সাদিয়া রুনার নিজ অফিস কক্ষে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। পরে ওই কক্ষেই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে আত্মহননের চেষ্টা অবস্থায় দেখেন আনসার সদস্য ও কয়েকজন শিক্ষার্থী। পরে খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয়ের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসাপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষিকাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইবি শিক্ষিকা রুনা হত্যার প্রধান আসামি ফজলুর গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১২:০২:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফজলুর রহমানকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

 

শুক্রবার (৬ মার্চ) ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

ওসি মাসুদ রানা বলেন, ‘মামলার ১ নাম্বার আসামি ফজলুর রহমান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকেই পুলিশ হেফাজতে আছে। তার বিরূদ্ধে মামলা দায়েরের পরপরই আদালতকে অবহিত করা হয়েছে। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে আহত থাকায় তাকে সদর হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’

 

অন্য আসামিদের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তাদের ব্যাপারেও কাজ চলমান। তবে এই ঘটনায় দুই শিক্ষক অভিযুক্ত থাকায় আরও খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

 

জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইবি থানায় ফজলুর রহমানকে প্রধান আসামি করে চারজনের নামে মামলা দায়ের করেন সাদিয়া রুনার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান। মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- বিভাগটির সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার ও উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিত কুমার বিশ্বাস, বিভাগটির সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও হাবিবুর রহমান।

 

এদিকে গত বুধবার কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টায় তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে পুলিশ তার থেকে দুই পাতায় লিখিত স্টেটমেন্ট নেয়। লিখিত স্টেটমেন্টে ফজলুর রহমান হত্যাকাণ্ড ঘটানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

 

উল্লেখ্য, গত বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে আসমা সাদিয়া রুনার নিজ অফিস কক্ষে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। পরে ওই কক্ষেই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে আত্মহননের চেষ্টা অবস্থায় দেখেন আনসার সদস্য ও কয়েকজন শিক্ষার্থী। পরে খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয়ের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসাপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষিকাকে মৃত ঘোষণা করেন।