ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রকৃত জনগণের সরকার গঠিত হলে সংবিধান ছুঁড়ে ফেলা হবে: আসিফ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬ ২৮ বার শেয়ার হয়েছে
বঙ্গবাণী নিউজ ২৪ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেছেন, বাংলাদেশ এখনও জনগণের সরকার পায়নি। আমরা কমিটমেন্ট দিতে চাই, যেদিন আমাদের প্রকৃত জনগণের সরকার গঠিত হবে সেদিন এই সংবিধান ছুঁড়ে ফেলা হবে।

 

সোমবার (২ মার্চ) এনসিপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

 

 

আসিফ মাহমুদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া একবার জনসভায় বলেছিলেন, এই সংবিধান জনগণের সরকার গঠিত হলে ছুঁড়ে ফেলা হবে। কিন্তু আমরা দেখলাম তার ছেলে আজকে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। বিএনপি সরকার গঠন করেছে, কিন্তু তারা এই সংবিধান ছুঁড়ে ফেলার সাহস করতে পারছে না, বরং এটাকে রক্ষা করছে।

 

তিনি আরও বলেন, বিএনপি এক ধরনের ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জুলাই সনদকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য সনদের বিষয়গুলোকে বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে এক ধরনের স্বেচ্ছাচারিতা করার জন্য আদালতে গেছে। তারা এক ধরনের ডুয়েল গেম তারা খেলছেন। এর মধ্য থেকে তারা সিলেক্টিভ সংস্কারের বিষয়ে কথা বলছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রকৃত জনগণের সরকার গঠিত হলে সংবিধান ছুঁড়ে ফেলা হবে: আসিফ

আপডেট সময় : ০৪:২৯:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেছেন, বাংলাদেশ এখনও জনগণের সরকার পায়নি। আমরা কমিটমেন্ট দিতে চাই, যেদিন আমাদের প্রকৃত জনগণের সরকার গঠিত হবে সেদিন এই সংবিধান ছুঁড়ে ফেলা হবে।

 

সোমবার (২ মার্চ) এনসিপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

 

 

আসিফ মাহমুদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া একবার জনসভায় বলেছিলেন, এই সংবিধান জনগণের সরকার গঠিত হলে ছুঁড়ে ফেলা হবে। কিন্তু আমরা দেখলাম তার ছেলে আজকে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। বিএনপি সরকার গঠন করেছে, কিন্তু তারা এই সংবিধান ছুঁড়ে ফেলার সাহস করতে পারছে না, বরং এটাকে রক্ষা করছে।

 

তিনি আরও বলেন, বিএনপি এক ধরনের ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জুলাই সনদকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য সনদের বিষয়গুলোকে বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে এক ধরনের স্বেচ্ছাচারিতা করার জন্য আদালতে গেছে। তারা এক ধরনের ডুয়েল গেম তারা খেলছেন। এর মধ্য থেকে তারা সিলেক্টিভ সংস্কারের বিষয়ে কথা বলছেন।